অর্থমন্ত্রী ইংরেজির ছাত্র, তাই বোঝেন না-মহাসচিব মির্জা ফখরুল
তিনি বলেন, ‘‘আপনার অযোগ্যতা, মুর্খতার কারণে দেশের অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে চলে গেছে। তাই আর দেরি না করে পদত্যাগ করুন। দেশের অর্থনীতি বাঁচান, জনগণকে রেহাই দিন।”
বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৪র্থ কারামুক্তি বার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
‘জাতীয়তাবাদী রাজনীতি ও তারেক রহমান’ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘শেয়ারবাজারের ৩৩ লাখ বিনিয়োগকারির কাছ থেকে ৮৬ হাজার কোটি টাকা লুট করেছে সরকার। পদ্মা সেতুতে আওয়ামী লীগের নেতা ও প্রধানমন্ত্রীর আত্মীয়রা কোটি কোটি টাকা লুট করেছে। এখন বিশ্বব্যাংক ঋণ দিচ্ছে না সে কারণে অর্থমন্ত্রী তাদের জেহাদি সংগঠন বলছেন।”
তিনি আরো বলেন, ‘‘অর্থমন্ত্রী হলমার্ক গ্রুপের চার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতিকে সামান্য বলছেন। এর আগে তিনি সোনালী ব্যাংককে দেয়া বাংলাদেশ ব্যাংকের নোটিশের এখতিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।”
তিনি বলেন, ‘‘তারেক রহমান শুধু জিয়াউর রহমানের সন্তান নয় বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিশেষ নাম। তিনি তার বাবার মতো এ দেশের মানুষের জন্য রাজনীতি শুরু করেছিলেন বলেই তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়।”
তিনি বলেন, ‘‘সত্যকে কোনো দিন ঢেকে রাখা যায় না। তারেক রহমানও তার বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ করে একদিন দেশে ফিরে আসবেন।”
মির্জা ফখরুল আরো বলেন, ‘‘বুয়েটের ভিসি, প্রোভিসির লজ্জা নেই। এরা নির্লজ্জ। প্রতিষ্ঠানটির ছাত্র শিক্ষক সবাই তাদের চলে যাওয়ার জন্য বললেও তারা বলছে সরকার না বললে আমরা যাবো না।”
শুধু বুয়েট নয় দেশের সকল উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে এমন অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘‘সরকার বিশেষ উদ্দেশ্যে তাদের নিয়োগ দিয়েছে। এজন্য সরকারের অনুমতি ছাড়া তারা যাচ্ছে না বলেও মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল।
সরকার দেশের শিক্ষার্থীদের প্রতিবেশি দেশমুখি করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে এসব করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

